আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতার প্রভাব আবারও পড়েছে ভারতে গ্যাসের দামে। সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য এলপিজি গ্যাসের মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে। তবে সাধারণ ভোক্তাদের জন্য গৃহস্থালি গ্যাস, পেট্রল এবং ডিজেলের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে, যা কিছুটা স্বস্তির খবর।
$ads={1}
সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, ১৯ কেজি ওজনের বাণিজ্যিক এলপিজি সিলিন্ডারের দাম প্রায় এক হাজার রুপি পর্যন্ত বেড়েছে। এর ফলে রাজধানী দিল্লিতে এই সিলিন্ডারের নতুন মূল্য তিন হাজার রুপিরও বেশি হয়েছে। একইভাবে মুম্বাইসহ অন্যান্য বড় শহরেও দামের বড় পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে জ্বালানি সংকট এবং বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের উত্তেজনার কারণে এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। গত কয়েক মাসে এটি তৃতীয়বারের মতো দাম বাড়ানো হলো, যা বাজারে চাপ আরও বাড়াবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এই মূল্যবৃদ্ধির সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়তে পারে হোটেল, রেস্তোরাঁ এবং অন্যান্য খাদ্যনির্ভর ব্যবসায়। কারণ এসব খাতে প্রতিদিনের কার্যক্রমে বাণিজ্যিক গ্যাসের ওপর নির্ভরতা বেশি। ফলে ভবিষ্যতে খাবারের দামও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে, তেল ও গ্যাস খাতে কাজ করা প্রতিষ্ঠানগুলোও চাপে রয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে উচ্চমূল্যে জ্বালানি সংগ্রহ করতে হলেও খুচরা পর্যায়ে সেই অনুপাতে দাম সমন্বয় করতে না পারায় তারা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছে বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে, এলপিজি ব্যবস্থাপনায় নতুন কিছু নিয়ম চালু করা হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, শহরাঞ্চলে সিলিন্ডার বুকিংয়ের ব্যবধান বাড়ানো হয়েছে। এখন নির্দিষ্ট সময়ের আগে বুকিং করলে তা গ্রহণ করা হবে না। গ্রামাঞ্চলের ক্ষেত্রে এই ব্যবধান আরও বেশি রাখা হয়েছে।
$ads={1}
সব মিলিয়ে, সাম্প্রতিক এই সিদ্ধান্ত ব্যবসা খাতে নতুন চাপ তৈরি করতে পারে, যদিও সাধারণ গ্রাহকদের জন্য আপাতত বড় কোনো পরিবর্তন আসেনি।
