নেত্রকোনায় এলপিজি গ্যাসের বাজার এখন শক্তিশালী এক সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা এই চক্রের স্বেচ্ছাচারী মূল্য নির্ধারণে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সাধারণ ভোক্তা ও খুচরা ব্যবসায়ীরা। সিন্ডিকেটের কারসাজিতে জিম্মি হয়ে পড়া জনমনে এখন তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।
$ads={1}
অনুসন্ধানে জানা গেছে, জেলার পাইকারি বিক্রেতারা একটি শক্তিশালী চক্র তৈরি করে কৃত্রিম সংকট ও ইচ্ছেমতো দাম বাড়িয়ে বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে। নেত্রকোনা সদর, মোহনগঞ্জ ও আটপাড়াসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের বাজার এখন অসাধু সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে। ,
সরকারি নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক বেশি মূল্যে খুচরা বিক্রেতাদের কাছে গ্যাস সরবরাহ করছে তারা। ফলে খুচরা বিক্রেতারাও বেশি দামে গ্যাস বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। খুচরা বাজারেও অস্থিরতা পাইকারি সিন্ডিকেটের সুযোগ নিয়ে অনেক খুচরা বিক্রেতাও অসাধু ব্যবসায় মেতে উঠেছেন। তারা নির্ধারিত দামের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি মূল্যে সাধারণ ভোক্তাদের কাছে গ্যাস বিক্রি করছেন। এতে করে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারগুলো দিশেহারা হয়ে পড়েছে।,
আরো পড়ুন - শিক্ষকদের অন্য পেশায় যুক্ত হওয়ার সুযোগ নেই, কঠোর হুঁশিয়ারি মন্ত্রীর
সাধারণ ভোক্তাদের অভিযোগ, “গ্যাসের দাম কত হবে সেটা সরকারি দপ্তরে নয়, বরং নির্ধারিত হয় এই অসাধু ব্যবসায়ীদের টেবিলে।” সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাজার তদারকি এবং অসাধু ব্যবসায়ীদের আইনের আওতায় আনা এখন সময়ের দাবিতে পরিণত হয়েছে।
$ads={1}
ভোক্তাদের দাবি—অনতিবিলম্বে সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়ে সরবরাহ স্বাভাবিক করা। সরকারি নির্ধারিত মূল্যে গ্যাস বিক্রি নিশ্চিত করা। পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত এই গ্যাস সংকটের সমাধান এবং অসাধু ব্যবসায়ীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
