সাবেক শিল্পমন্ত্রী ও প্রবীণ রাজনৈতিক নেতা তোফায়েল আহমেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির একটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত। অভিযোগ রয়েছে, ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিপুল অঙ্কের অর্থ আত্মসাতের সঙ্গে তিনি জড়িত। দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকায় আদালত তার বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
$ads={1}
মামলার তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা অনিয়মের মাধ্যমে স্থানান্তর ও উত্তোলনের অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় আরও কয়েকজনের সম্পৃক্ততার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।
সম্প্রতি মামলাটির অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন ধার্য ছিল। তবে ওইদিন আদালতে উপস্থিত না হয়ে তোফায়েল আহমেদের পক্ষ থেকে তার আইনজীবী অসুস্থতার বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি দাবি করেন, তার মক্কেল গুরুতর শারীরিক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা বা কারও সঙ্গে যোগাযোগ করতে সক্ষম নন।
আইনজীবীর ভাষ্য অনুযায়ী, তার স্মৃতিশক্তি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং মানসিক সমস্যার কারণে তিনি আদালতের কার্যক্রমে অংশ নিতে অক্ষম। এই প্রেক্ষিতে মানসিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার আবেদন জানিয়ে শুনানি পেছানোর অনুরোধ করা হয়।
অন্যদিকে, দুর্নীতি দমন কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, পলাতক অবস্থায় এ ধরনের আবেদন গ্রহণযোগ্য নয়। আদালতও এ যুক্তির সঙ্গে একমত পোষণ করে আবেদনটি খারিজ করে দেন।
পরবর্তীতে আদালত মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন। এদিকে, মামলার অপর এক আসামি জামিনে থেকে আদালতে হাজিরা দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
$ads={1}
দীর্ঘদিন স্থগিত থাকার পর মামলাটি পুনরায় কার্যক্রমে ফিরেছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, পরবর্তী শুনানিতে মামলার অগ্রগতি গুরুত্বপূর্ণ মোড় নিতে পারে।
