মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি ঘিরে আবারও উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান কূটনৈতিক আলোচনায় নতুন জটিলতা দেখা দিয়েছে, বিশেষ করে একটি প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে।
$ads={1}
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সাম্প্রতিক প্রস্তাব নিয়ে সন্তুষ্ট নন বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ওই প্রস্তাবে নৌপথ খুলে দেওয়া এবং সংঘাত কমানোর বিষয় থাকলেও পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে স্পষ্ট কোনও অগ্রগতি না থাকায় বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, হোয়াইট হাউস-এর একটি বৈঠকে ট্রাম্পকে এই পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত করা হয়। প্রস্তাবের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত কিছু বিধিনিষেধ শিথিল করার কথাও উঠে আসে। তবে এতে ইরানের পারমাণবিক কার্যক্রম নিয়ে নির্দিষ্ট সমাধান না থাকায় মার্কিন পক্ষের উদ্বেগ বাড়ে।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল, ইরানকে সম্পূর্ণভাবে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করতে হবে। কিন্তু ইরান এই শর্ত মানতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বলেছে, আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় তাদের এ অধিকার রয়েছে।
$ads={1}
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অলিভিয়া ওয়েলস জানান, যুক্তরাষ্ট্র এমন কোনও চুক্তিতে যাবে না যা তাদের স্বার্থের পরিপন্থী।
এদিকে দ্য নিউইয়র্ক টাইমস ও Axios-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের পক্ষ থেকে দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধবিরতি ও নিষেধাজ্ঞা শিথিলের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে পারমাণবিক আলোচনা শুরু করার শর্ত হিসেবে আগে অবরোধ তুলে নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালিতে অব্যাহত চাপের কারণে ইরানের অর্থনীতি বড় ধরনের চাপে রয়েছে। একই সঙ্গে তেল উৎপাদন ও সংরক্ষণ নিয়েও তারা সমস্যার মুখে পড়েছে। মার্কিন প্রশাসনের একটি অংশ মনে করছে, এই চাপের ফলে শেষ পর্যন্ত ইরান আলোচনায় নমনীয় হতে পারে।
$ads={2}
অন্যদিকে, কিছু পর্যবেক্ষকের মতে, সাম্প্রতিক উত্তেজনা ও আঞ্চলিক রাজনীতির কারণে ইরানের অবস্থান আরও কঠোর হয়ে উঠতে পারে। ফলে দ্রুত কোনও সমাধানে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়ছে।
