যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর হত্যাকাণ্ড ঘিরে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তদন্তে উঠে এসেছে, ঘটনার আগে ও পরে সন্দেহভাজন ব্যক্তি একটি এআই চ্যাটবটের সঙ্গে বেশ কিছু অস্বাভাবিক প্রশ্নোত্তরে জড়িত ছিলেন।
$ads={1}
নিহতরা হলেন জামিল লিমন এবং নাহিদা বৃষ্টি। তারা দুজনই ইউনিভার্সিটি অব ফ্লোরিডা-এর পিএইচডি শিক্ষার্থী ছিলেন।
এই ঘটনায় তাদের সহবাসী হিশাম আবুঘারবেহ-কে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। মার্কিন সংবাদমাধ্যম CBS News-এ প্রকাশিত আদালতের নথি অনুযায়ী, তিনি বিভিন্ন সময় চ্যাটবটকে গাড়ির পরিচিতি নম্বর (VIN) পরিবর্তন, লাইসেন্স ছাড়া অস্ত্র রাখা এবং নির্দিষ্ট একটি পার্ক এলাকায় গাড়ি তল্লাশি হয় কি না—এসব বিষয়ে প্রশ্ন করেছিলেন।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট তথ্য বলছে, ট্যাম্পার কাছাকাছি হিলসবরো রিভার স্টেট পার্ক এলাকায় সন্দেহভাজনের মোবাইল লোকেশন শনাক্ত করা হয়। একই স্থানের একটি সেতুর কাছ থেকেই লিমনের দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়েছিল।
আরও জানা গেছে, নিখোঁজ হওয়ার কয়েক দিন আগে থেকেই অভিযুক্ত ব্যক্তি চ্যাটবটকে মরদেহ গোপন করার উপায় সম্পর্কেও প্রশ্ন করছিলেন। এক পর্যায়ে তিনি জানতে চান, কোনো মরদেহ ব্যাগে ভরে ফেলে দিলে কী হতে পারে—এ ধরনের প্রশ্নের জবাবে চ্যাটবট তাকে সতর্ক করেছিল।
ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, লিমনের শরীরে একাধিক ধারালো অস্ত্রের আঘাত ছিল, যা তার মৃত্যুর কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। পাশাপাশি সন্দেহভাজনের শরীরেও আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।
$ads={2}
উল্লেখ্য, গত ২৪ এপ্রিল ট্যাম্পার নিকটবর্তী একটি সেতু এলাকা থেকে লিমনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আরও তথ্য সংগ্রহে কাজ করছে।
.jpg)