রোজা রাখলে শরীরে কী ঘটে? জানুন চমকপ্রদ সব উপকারিতা

 



রমজান মাসের রোজা দুনিয়া ও আখেরাত সমন্বয়ে একটি লাভবান প্রজেক্ট। বলতেই হয়; রোজা রাখুন, দুনিয়া ও আখেরাত একসাথে কামাই করুন।


$ads={1}

প্রকৃত মুসলমান পূর্ণ বিশ্বাসের সহিত সাওয়াব পাওয়ার আশা নিয়ে পবিত্র মাহে রমজানের রোজা রাখে।  রোজা রাখার উপরাকিতা ,গুরুত্ব ও ফজিলত সম্পর্কে পবিত্র কুরআন ও হাদিসে কি বলা হয়েছে তা আমরা সবাই কম-বেশি জানি।


আরো পড়ুন - খাবারের চেয়েও বেশি: সাহরির বরকত ও সুন্নাহ

প্রকৃত রোজাদার মুসলমান রমজান মাসটিকে অন্য এগারো  মাসের মত কাটায় না কারণ এটা যে পবিত্র মাস,  যে মাসের বদলা আল্লাহ তায়ালা নিজেই প্রদান করবেন আর মহাধনী ও মহান নিয়ামতদাতা আল্লাহ তা'আলা নিজেই এর  প্রতিদান  প্রদান করবেন, সেটা যে কত উত্তম হবে, তা কল্পনাতীত ব্যাপার।  

 

$ads={1}

রোজা শুধু ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে নয়, বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিতেও রোজার উপকারিতা অপরিসীম। স্বাস্থ্য বিজ্ঞানীদের মতে, রোজা রাখার উপকারিতা হলো , সারা বছর অতিভোজ, অখাদ্য, কুখাদ্য, ভেজাল খাদ্য খাওয়ার ফলে আমাদের শরীরে যে জৈব বিষ জমা হয় তা দেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। 


এক মাস রোজা পালনের ফলে তা সহজেই দূরীভূত হয়ে যায়। ডাক্তারদের মতে, রোযার ফলে মস্তিষ্কের সেরিবেলাম ও লিমরিক সিস্টেমের ওপর নিয়ন্ত্রণ বাড়ার কারণে মনের অশান্তি ও দুশ্চিন্তা দূর হয়-যা উচ্চ রক্তচাপের জন্য মঙ্গলজনক। ডায়াবেটিস রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে রোযা খুব উপকারী। ডাক্তারী পরীক্ষায় দেখা গেছে, একাধারে ১৫ দিন রোযা রাখলে ডায়াবেটিস রোগের অত্যন্ত উপকার হয়।

 আরো পড়ুন - ঢাবি ক্যাম্পাসে হঠাৎ ওজিল! বিশ্বজয়ী তারকা এখন ঢাকায়

একটি গবেষণায় দেখা গেছে, রোযাদার পেপটিক আলসারের রোগীরা রোযা রাখলে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ ও হাঁপানি রোগীদের জন্যও রোযা উপকারী। কিডনী সমস্যায় আক্রান্ত রোগীরা রোযা রাখলে এ সমস্যা আরো বেড়ে যাবে ভেবে রোযা রাখতে চান না। অথচ আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা বলছেন, রোযা রাখলে কিডনীতে সঞ্চিত পাথর কণা ও চুন দূরীভূত হয়।

 

$ads={1}

তাছাড়াও একটি হাদিসে শরীফ আছে ; মানবসন্তানের প্রতিটি নেক কাজের সাওয়াব দশ গুণ থেকে সাতশ গুণ পর্যন্ত বাড়িয়ে দেওয়া হয়।  আল্লাহ তায়ালা বলেন; রোজা আমারই জন্য এবং আমি নিজেই এর প্রতিফল দান করব। বান্দা আমারই জন্য নিজের প্রবৃত্তিকে নিয়ন্ত্রণ করেছে এবং পানাহার পরিত্যাগ করেছে।  

 

রোজাদারের জন্য দুটি আনন্দ রয়েছে; একটি তার ইফতারের সময় এবং অপরটি তার প্রতিপালক আল্লাহর সাথে সাক্ষাতের সময়।  রোজাদারদের মুখের দুর্গন্ধ আল্লাহ তায়ালার কাছে মিশকের সুগন্ধি চেয়েও অধিক সুগন্ধময় (সহিহু মুসলিম -১১৫১)

 

$ads={1}

মহান রাব্বুল আলামিন রোজাদারদের জন্য কি নিয়ামতের ঘোষণা দিয়েছেন এ হাদিসে আলহামদুলিল্লাহ রমজান মাসের রোজা দুনিয়া ও আখেরাত সমন্বয়ে একটি লাভবান প্রজেক্ট। বলতেই হয়; রোজা রাখুন, দুনিয়া ও আখেরাত একসাথে কামাই করুন।  যদিও আমাদের চিন্তা চেতনা একমাত্র আল্লাহ তায়ালা রাজি খুশি করা-উৎসাহের জন্য দুটোই বলা যায়।


Post a Comment

Previous Post Next Post